সাজেকে গভীর রাতে বিলাসবহুল রিসোর্টে অগ্নিকান্ড।

সাজেকে গভীর রাতে বিলাসবহুল রিসোর্টে অগ্নিকান্ড।

31
SHARE

নিজস্ব প্রতিনিধি : মো: আহসান উল্লাহ: রাঙামাটির সাজেকে রাত পৌনে দুইটার সময় রহস্যজনক অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটেছে। রোববার দিবাগত গভীর রাতপৌনে দুইটার সময় আকস্মিক আগুনের সূত্রপাত হয়।পানির তীব্র সংকট থাকা সাজেক ভ্যালীতে এই অগ্নিকান্ডে আগুলের লেলিহান শিখা প্রচন্ড বাতাসের কারনে মুহুর্তের মধ্যেই চারিপাশে ছড়িয়ে যায়।রাত আড়াই টা পর্যন্ত সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্যানুসারেনিয়ন্ত্রণহীনভাবে দাউ দাউ করে জ্বলে তিনটি কটেজ সম্পূর্ন পুড়ে ছাই হয়ে গেছে বলে স্থানীয় নিরাপত্তা বাহিনী সূত্র নিশ্চিত করেছে।স্থানীয়রা জানিয়েছে, রাত পৌনে দুইটা থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে রাত সোয়া তিনটা নাগাদ আগুন নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে সেনাবাহিনী-বিজিবি-পুলিশসহ স্থানীয় বাসিন্দারা। কিন্তু এই সময়ের মধ্যে আগুনে সবচেয়ে বিলাস বহুল সাজেক বিলাস, কাচালং কটেজ ও গরবা কটেজ নামে তিনটি রিসোর্ট সম্পূর্ন পুড়ে যায়। সাজেকে ফায়ার সার্ভিস স্টেশন না থাকায় রাত তিনটা বিশ মিনিট নাগাদ সময়েও সেখানে ফায়ার সার্ভিস পৌছোতে পারেনি বলে স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন।বিষয়টি অত্যন্ত রহস্যজনক উল্লেখ করে একটি সূত্রে জানাগেছে, গত দুই সপ্তাহ আগে একটি আঞ্চলিক রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে সাজেকের রিসোর্টগুলোতে পানি সাপ্লাই বন্ধ করে দেওয়া হয়েছি। এছাড়াও পুড়ে যাওয়া কটেজগুলোর মধ্যে একটি কটেজে তাদেরই প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক দলের একজন উদ্বর্তন নেতার মালিকানা থাকায় প্রতিহিংসা পরায়ন হয়েও আগুন ধরিয়েদিয়ে থাকতে পারে।কারন হিসেবে সূত্রটি জানিয়েছে,রোববার সন্ধ্যারাতে বাঘাইছড়িস্থ আটকিলোতে একজন এবং মারিশ্যা-দিঘীনালা সড়কের জোড়া ব্রীজ এলাকায় আরো একজনসহ দুইজন গুলি করে হত্যা ও আরো একজনকে অপহরণ করে নিয়ে যায় সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা।এই ঘটনার সাথে প্রতিপক্ষ গ্রুপ জড়িত আছে এমন ধারনাথেকেই নতুন একটি ইস্যু তৈরির মানসে গভীর রাতে আগুনলাগাতেও পারে সন্ত্রাসীরা।সূত্রটির দাবি কোনো প্রকার বিদ্যুতিক শর্ট সার্কিট দূর্ঘটনার সম্ভাবনাও সেখানে নাই। এছাড়া এতোটা গভীর রাতে সেখানে কোনো ধরনের রান্নার কাজও চলার কথা নয়? তাহলে আগুনটা লাগলো কিভাবে?? এমন প্রশ্ন এখন সাজেকের সকলের মুখে মুখে???