মুক্তিযোদ্ধার সনদ না থাকায় প্রকৃত বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কাসেম সিকদার জরাঝীর্ণ কুঁড়ে...

মুক্তিযোদ্ধার সনদ না থাকায় প্রকৃত বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কাসেম সিকদার জরাঝীর্ণ কুঁড়ে ঘরে মিত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে দেখার কেউ নেই।

104
SHARE

নিজস্ব প্রতিনিধি : আবদুর রহমান (সাকিব):
ভোলার তজুমউদ্দীন থানার ১নং বড় মলংছড়া ইউনিয়নের আবুল কাসেম সিকদার প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা হয়ে ও রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি অর্থাৎ মুক্তিযোদ্ধা সনদ এখনও পায়নি।
এই আবুল কাসেম সিকদার (৭৯), পিতা:মৃত:- মোফাজ্জল হোসেন সিকদার। বর্তমানে আবুল কাসেম সিকদার চট্টগ্রামের বায়েজীদ থানা এরিয়ায় চন্দ্রনগর মোল্লা কলোনীর এক জরাঝীর্ণ কুঁড়ে ঘরে ছেলে সন্তান নিয়ে বসবাস করে আসছে। তিনি বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে বিছানায় পড়ে আছে। তাকে দেখার মত কেউ নেই। এই বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কাসেম সিকদারের স্থায়ী বাড়ি ১ নং বড় মলংছড়া ইউনিয়ন, ডাকঘর :দেবীপুর মাদ্রাসা। থানা:তজুমউদ্দীন, জেলা :-ভোলা।
তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে সরাসরি অংশগ্রহন করে ১নং সেক্টরের আর্টিলারি ও লালখান বাজার ফুলতলা পুলিশ লাইনের তৎকালীন পুলিশ সুবেদার রকিতুল্লাহর সাথে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করে। এখানে যুদ্ধ শেষ করে নিজ গ্রামে চলে যায় ভোলার তজুমউদ্দীনের তৎকালীন কমান্ডার ইব্রাহিমের সাথে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করে। ১৪ জন পাক সেনাকে আত্মসর্মপণে বাধ্য করায় এবং ২ বাক্স অস্ত্র উদ্ধার করে।তার পা-য়ে এখনো রয়েগেছে সেই ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধে পাক হানাদার বাহিনীর বোলেটের আঘাতে ক্ষত চিহ্ন।
এই ব্যাপারে নির্বাহী চেয়ারম্যান একটি প্রসংশাপত্র দেন। তিনি আরো বলেন, বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে ১৯৭১ সালে পাক হানাদার বাহিনীর ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ি যুদ্ধ করে রক্ত ঝড়িয়েছি, গুলি খেয়েছি, স্বাধীন করেছি সংগঠন করেছি কিন্তুু স্বীকৃতি এখনও পাইনি।
তাই বঙ্গবীন্ধুর কন্যা দেশ রত্ন মানবতার মা জননেত্রী শেখ হাসিনার কাছে আকুল আবেদন আমার সম্মান যেন আমাকে দেয়া হয়।