সিরিয়ায় নিপীড়নের প্রধান অস্ত্র ধর্ষণ

সিরিয়ায় নিপীড়নের প্রধান অস্ত্র ধর্ষণ

47
SHARE

নিউজ ডেস্ক:বিরোধীদের দমন নিপীড়ন চালাতে নারী, মেয়ে ও পুরুষদের ধর্ষণ ও যৌন নির্যাতনের মতো অস্ত্র বেছে নিয়েছে সিরিয়ার সরকারি বাহিনী এবং তাদের মিত্র মিলিশিয়ারা। বৃহস্পতিবার জাতিসংঘ তাদের এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে এমন ভয়াবহ তথ্য জানিয়েছে। খবর রয়টার্সের।

সংস্থাটির ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সিরিয়ার গৃহযুদ্ধে বিদ্রোহীরাও যৌন সহিংসতা ও নির্যাতনের মতো ঘটনা ঘটিয়েছে। যদিও তাদের এ নির্যাতনের মাত্রা ‘তুলনামূলকভাবে কম’।

ওই রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, ইসলামিক স্টেটের (আইএস) জঙ্গিরা ব্যভিচারের দায়ে নারী ও মেয়েদের পাথর আঘাতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে। আর মেয়েদের জোরপূর্বক বিয়ে ও সমকামীদের হত্যা করেছে।

জাতিসংঘের তদন্ত কমিশনের চেয়ারম্যান পাওলো পিনহেইরো বলেছেন, সিরিয়ায় সাত বছর ধরে চলমান গৃহযুদ্ধে যুদ্ধরত সব গোষ্ঠীই ভয়াবহ যৌন নির্যাতন ও লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা চালাচ

সিরিয়ার গৃহযুদ্ধের জীবিত ব্যক্তি, তাদের স্বজন, প্রত্যক্ষদর্শী, যুদ্ধত্যাগী ও মেডিকেল কর্মীসহ ৪৫৪ জনের সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে ওই প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। কমিশনের এ তথ্যের ভিত্তিতে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে সম্ভাব্য বিচারের বিষয়ে আবেদন করতে জাতিসংঘের নিরাপত্তা কাউন্সিলকে পরামর্শ দিয়েছে তারা।

তদন্ত প্যানেলের একজন মার্কিন কমিশনার কারেন আবুজায়েদ বলেছেন, এটা পুরো ঘটনার ‘আংশিক চিত্র মাত্র’।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংঘাতের শুরুর দিকে সরকারি বাহিনী বেসামরিক ব্যক্তিদের বাড়ি তল্লাশি ও স্থল অভিযানের সময় ধর্ষণ করেছে। তাদের হাতে নয় বছরের শিশুও ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে জানা গেছে।

জাতিসংঘের যুদ্ধাপরাধ তদন্তকারীরা বলছেন, সরকারের ২০টি রাজনৈতিক ও সামরিক গোয়েন্দা শাখায় নারী ও মেয়েদের ধর্ষণ করা হয়েছে। আর পুরুষ ও ছেলেদের বলাৎকার করেছে ১৫টি শাখায়।