চট্টগ্রামে রেলওয়ে শ্রমিক লীগ এর স্বরণ কালের সর্ববৃহৎ বার্ষিক বনভোজন উদযাপন ২০১৮।

চট্টগ্রামে রেলওয়ে শ্রমিক লীগ এর স্বরণ কালের সর্ববৃহৎ বার্ষিক বনভোজন উদযাপন ২০১৮।

1015
SHARE

নিজস্ব প্রতিনিধি : আবদুর রহমান ( সাকিব):
১৬ ই ফেব্রুয়ারী রোজ শূক্রবার সকাল ৮ ঘটিকায় বাংলাদেশ রেলওয়ে শ্রমিক লীগ চট্টগ্রামের উদ্যোগে পাহাড়তলী রেলওয়ে ওয়াগন কারখানা হতে আনোয়ারা পারকির চর সমুদ্র সৈকতে বার্ষিক বনভোজন ২০১৮ উপলক্ষে চরম উৎসাহ ও উদ্দীপনা নিয়ে হাজারো ভ্রমন পিপাসু রেলওয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারী ও রেলওয়ে পরিবারপরিজন সহ সকলের অংশগ্রহনের মাধ্যামে যাত্রা করেন।বাংলাদেশ রেলওয়ে শ্রমিক লীগ চট্টগ্রাম কতৃক অায়োজিত এবারের বনভোজন টি চট্টগ্রাম রেলাঙ্গনে এক নতুন মাত্রা যোগকরেছে।এবারের বনভোজনটি মনে হয় চট্টগ্রাম রেলশ্রমিকের এক মহা উৎসব ও মিলন মেলা।বিশালাকার এক গাড়িবহর যেখানে ছিল ৪৬ টি যাত্রীবাহী বাস, অর্ধশতাদিক মোটরবাইক, ১১টি মাইক্রোবাস এর এক বিশাল গাড়িবহর।

নগরীর টাইগারপাস মোড় হতে সকাল সাড়ে ৯ ঘটিকায় একে একে সকল বাসে ভ্রমন পিপাসু যাত্রীদের সকালের নাস্তা ও পানিয়জল সরবারাহ করা হয়।এ সময় রেলওয়ে শ্রমিক লীগ চট্টগ্রামের উদ্যোগে ২০১৮ বনভোজন উদযাপন কমিটি ও দক্ষ পরিশ্রমী সেচ্ছাসেবক গন নিজ নিজ দায়িত্ববোধ থেকে যথাযথ দায়িত্ব পালন করেন।

উক্ত বনভোজনে প্রায় তিন হাজারের অধিক রেল শ্রমিক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও রেলওয়ে পরিবারপরিজন অংশগ্রহন করেন।বরাবরের ন্যায় এবারের বনভোজন খুবই জমকালো ভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে,যা ছিলো বিগত বছরের চেয়ে ভিন্ন ও রোমাঞ্চকর। বেলা বাড়ার সাথে সাথে সাড়ে ১১ ঘাটিকায় গাড়িবহর নির্ধারিত পিকনিক স্পট আনোয়ারা পারকির চর সমুদ্র সৈকতে পৌছেন,যা খুবই মনোমুগ্ধকর ও দর্শনীয় ঐতিহ্যবাহী স্থান।মনেহচ্ছে রেলওয়ে শ্রমিকলীগ চট্টগ্রামের উদ্যোগে ২০১৮ বনভোজনের লোক সমাগম সমুদ্র থেকে আসা প্রতিধ্বনি একই সুরেবাঁধা। পারকির চর যেন তার প্রাণ ফিরেপেল।

হাজারো কর্মব্যস্ততার মাঝে এই ধরনের বনভোজন অায়োজনের ফলে রেলপরিবারের সকলে মানসিক অবসাদ দুর করেন,একটু অানন্দের ছোঁয়া লাভ করেন।আজকের পারকির চর যেন রেলশ্রমীকের এক মিলন মেলায় পরিনত হয়েছে।সুপরিকল্পিত দক্ষ নেতৃবৃন্দ ও সকলের আন্তরিকতায় যথা সময়ে সব কিছু সম্ভব হয়েছে।যেমন প্রথমেই বলতে হবে পারকির চর দর্শনীয় স্থান হলেও পর্যটক কতৃপক্ষের অথবা সরকারে সজাগ দৃষ্টি নাথাকায় দূরথেকে আসা পর্যটকদের পরতে হয় নানান সমস্যায়।সাগর পাড় হওয়াতে ভরা দুপুরে সূর্যের প্রচন্ড তাপে পর্যটকরা হয়ে পরেন বেহাল।এখানে নেই কোনো সৌচাগার,পানীয় জলের সুব্যাবস্থা।অপরদিকে কিছু অসাধু দোকানিরা পানীয়জল হোক বা ডাবের জল কিংবা যেকোনো খাদ্য দ্রব্যাদি পর্যটকদের কাছথেকে চড়া দাম আদায়ের জন্য মত্ব থাকে সব সময়।

এসব কথা মাথায় রেখে বনভোজন আয়োজক কমিটির পূর্ব অভিজ্ঞতা থেকে আগেই তৈরী করা হয়েছে অস্থায়ী সৌচাগার, সরবারাহ করা হয়েছে প্রর্যাপ্ত পরিমানে খাবার পানি,বনভোজনে আমন্ত্রিত অতিথিদের বসার জন্য চেয়ার ও সুবিশাল প্যান্ডেল ,এবং প্যান্ডেলের সামনে করা হয়েছে স্ট্যাজ, যেনো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ ধারাবাহীক কার্যক্রম গুলো অতিথিগন উপভোগ করতে পারেন। দুপুরের খাবার রান্নাকরার জন্য আরেকটি প্যান্ডেল যেখানে প্রায় ভোরথেকেই চলছিল বনভোজনের রান্নাবান্নার কাজ।

দুপুরে বনভোজনে আমন্ত্রিত অতিথিদের মাঝে হিন্দু ধর্মাবলম্বি এবং মুসলিম ধর্মাবলম্বি দেরকে পৃথক পৃথক ভাবে খাবার সরবারাহ করা হয়।সেচ্ছাসেবকগন শুরু থেকেই অক্লান্ত পরিশ্রম করে আসছে এবং নিজেদের দক্ষতাদিয়ে সুশৃঙ্খল ভাবে উক্ত বনভোজনকে সাফল্যমন্ডিত করতে দৃঢ় প্রতিঙ্গাবদ্ধ।

এতো ব্যাপক আয়োজনের ফলে প্রত্যেকের কাছে মনে হয়েছে এক অনন্দময় অধ্যায়,যেমন ছোট বড় সকলের আনন্দ ভাগাভাগি করা,তেমনি এইতো সময় দিনব্যাপী কন্সার্ট, খেলাধুলা ও পুরস্কার বিতরণী,র‍্যাফেল ড্র এবং অাকর্ষণীয় পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান সহ নানা আয়োজনের।

এমন বিশাল বনভোজন ও অানন্দ ভ্রমণ অায়োজনের পেছনে যে দক্ষ সাহসী নেতার নেতৃত্বই ছিলো উল্লেখ্য,শাসক শোসকের রক্তচক্ষু অার অস্ত্রের ভয়কে উপেক্ষা করে লাঞ্ছিত বঞ্চিত ও পরাধীন মানুষের অধিকার অাদায় করার জন্য যে সর্বদা দৃঢ় প্রতিজ্ঞা বদ্ধ তিনি হলেন বাংলাদেশ রেলওয়ে শ্রমিক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক, জনাব অালহাজ্ব মোঃসিরাজুল ইসলাম সিরাজ।তিনি উক্ত বনভোজনে সকলের উদ্দেশ্যে এই বনভোজনের ধারা অব্যাহত রাখতে সকলের অান্তরিকতা ও সহযোগীতা কামনা করেন।

ধন্যবাদান্তে,জনাব অালহাজ্ব মোঃসিরাজুল ইসলাম সিরাজ,প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক-কেন্দ্রীয় কমিটি,বাংলাদেশ রেলওয়ে শ্রমিক লীগ।
গাজী মোঃশাহজাহান,পরিচালক -বাংলাদেশ রেলওয়ে সি. সি. এস.।
জনাব শফিকুল ইসলাম,পরিচালক -বাংলাদেশ রেলওয়ে সি. সি. এস.ও সদস্য সচিব-বনভোজন উদযাপন কমিটি ২০১৮।
মোঃইমাম হোসেন উজ্বল,অাহব্বায়ক- বনভোজন উদযাপন কমিটি ২০১৮।