দুর্নীতির মামলায় বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে রায় ঘোষণার পর ১৩ নং পাহাড়তলী...

দুর্নীতির মামলায় বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে রায় ঘোষণার পর ১৩ নং পাহাড়তলী ওয়ার্ডে তাৎক্ষণিক সমাবেশ, মোটরবাইক আনন্দ র‍্যালী।

388
SHARE

নিজস্ব প্রতিনিধি :মাজারুল ইসলাম: দুর্নীতির মামলায় বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে রায় ঘোষণার পর নগরীতে আনন্দ মিছিল ও সমাবেশ করেছে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগসহ সরকার সমর্থক বিভিন্ন সংগঠন। দুপুরে রায় ঘোষণার পরপরই ১৩ নং পাহাড়তলী ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ তাৎক্ষণিক সমাবেশ, মোটরবাইক আনন্দ র‍্যালী বের করেন।

বৃহস্পতিবার বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দায়ের করা জিয়া অরফানেজ ট্রাষ্ট দুর্নীতি মামলার রায়কে কেন্দ্র করে বিএনপি-জামায়াতের জ্বালাও পোড়াও, অগ্নিসংযোগ,ভাঙ্গচুর,লুটতরাজ সহ যেকোনো ধরনের নাশকতা ঠেকাতে অাইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি সর্বদা প্রস্তুত ছিল ১৩ নং পাহাড়তলী ওয়ার্ড অাওয়ামী যুবলীগ সহ পুরো নগরবাসী।সকাল থেকেই দেখা যায় খালেদা জিয়ার রায়কে কেন্দ্র করে নাশকতা ঠেকাতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও আওয়ামীলীগ ও অঙ্গসংঘঠনের নেতা কর্মীদের নগরীর গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে অবস্থান নিতে।বেলাবারার সাথে সাথে জনমনে এক সংশয় কাজ করছিল না জানি রায়ের পর কী হবে?রায় বা কী হতে চলছে? কিন্তু বাস্তব চিত্রটা ছিল ভিন্নরূপের চট্টগ্রাম মহানগরীসহ সারাদেশ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিরাপত্তা জোরদার করায় বিএনপি সমর্থক নেতাকর্মীরা তেমন কোনো নাশকতা বা নৈরাজ্য সৃষ্টি করতে পারেনি।

খালেদা জিয়া দুপুর পৌনে দুইটার দিকে আদালতে পৌঁছান। এর আগে সকাল পৌনে নয়টায় মামলার অন্য দুই আসামি সলিমুল হক ও শরফুদ্দিন আহমেদকে আনা হয় আদালতে। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের আইনজীবীরাও উপস্থিত ছিলেন।

জিয়া অরফানেজ ট্রাষ্ট দূর্নীতির মামলায় খালেদা জিয়ার ৫ বছর কারাদণ্ডের রায় ঘোষণা করেছে আদালত। এই মামলায় তারেক রহমানসহ অন্য ৫ আসামীর ১০ বছর কারাদণ্ড এবং ২ কোটি ১০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এই মামলায় আদালতে ১১টি অভিযোগ প্রমাণিত হয়।

১৩ নং পাহাড়তলী ওয়ার্ড আওয়ামী যুবলীগ নেতাকর্মীরা সেগুনবাগান ওয়ার্কশপ গেইট থেকে বিশাল এক মোটরবাইক আনন্দ র‍্যালী বেরকরেন।র‍্যালীটি সেগুনবাগান মোড়,ওয়ার্লেস মোড়,পশ্চিম খুলশী, জালালাবাদ, ঝাউতলা বাজার,দক্ষিণ খুলশী,আমবাগান, পুলিশ বিট,আকবরশাহ্,ফয়েজলেক সহ নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো প্রদক্ষিণের পর বাংলাদেশ রেলওয়ে ওয়াগন কারখানার সামনে এসে শেষ হয়।