জব্বারের বলিখেলাকে ইউনেস্কোর ‍বিশ্ব ঐতিহ্যের স্বীকৃতির জন্য পাঠানো হচ্ছে আবেদন।

জব্বারের বলিখেলাকে ইউনেস্কোর ‍বিশ্ব ঐতিহ্যের স্বীকৃতির জন্য পাঠানো হচ্ছে আবেদন।

45
SHARE

কিউ২৪ নিউজ ডেস্ক : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ, জামদানি শাড়ি, ঐতিহ্যবাহী বাউল গান, মঙ্গল শোভাযাত্রার পর এবার ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যে যাচ্ছে চট্টগ্রামের শতবর্ষী আব্দুল জব্বারের বলিখেলা। সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় এই বিষয়ে জাতিসংঘের শিক্ষা বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থা ইউনেস্কোর কাছে আবেদন করবে।

জব্বারের বলিখেলা আয়োজনে চলতি বছর থেকে আগ্রহ দেখিয়েছে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়। সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর বলিখেলার আয়োজকদের সঙ্গে কথাও বলেছেন। এ বিষয়ে সংস্কৃতি মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর বলেন, ‘বলিখেলা বা কুস্তি প্রতিযোগিতা ১১০ বছর পেড়িয়েছে। আমরা ঐতিহ্যটাকে ধরে রাখতে চাই। এর উন্নয়নে কাজ করতে চাই।’আসাদুজ্জামান নূর বলেন, ‘জব্বারের বলিখেলাকে ইউনেস্কোর ‍বিশ্ব ঐতিহ্যের স্বীকৃতির জন্য আবেদন করবো।

সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় এ আয়োজনের সঙ্গে অবশ্যই যুক্ত হতে চাই। সেই লক্ষ্যে খেলাটির উত্তরাধিকার এবং আয়োজক কমিটির সভাপতিকে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ে আসতে বলেছি। সকলের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি ঠিক করা হবে।’জানা গেছে, ইউনেস্কোর স্বীকৃতি পেতে কিছুটা সময় লাগে। বাংলা একাডেমি এবং ‍জাতীয় জাদুঘরের সমন্বয়ে একটা টিম গঠন করতে হবে। এই টিম পেপার ওয়ার্ক করবে, ইতিহাস সংগ্রহ করবে এবং বিষয়টি নিয়ে। এরপরই ইউনেস্কোর নির্ধারিত ফরমে পূর্ণাঙ্গ তথ্য দিয়ে সেটি পূরণ করবে।

আব্দুল জব্বারের উত্তরাধিকার ও মেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক শওকত আনোয়ার বাদল বলেন, জব্বারের বলিখেলা বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ হলে সেটি অবশ্যই আমাদের জন্য অত্যন্ত খুশির খবর। আমরা সংশ্লিষ্টদের এ বিষয়ে সব ধরণের সহযোগিতা করবো।প্রসঙ্গত, ১৯০৯ খ্রিস্টাব্দে বৃটিশ শাসনের বিরুদ্ধে বাঙালি যুব সমাজকে ঐক্যবদ্ধ করে তুলতে চট্টগ্রামের বদরপতি এলাকার ব্যবসায়ী আবদুল জব্বার সওদাগর এই কুস্তির প্রবর্তন করেন।

সেই খ্রিস্টাব্দের ১২ বৈশাখ নিজ নামে ঐতিহ্যবাহী লালদীঘির মাঠে বলীখেলার সূচনা করেন। এরই ধারাবাহিকতায় আজকের অবস্থানে জব্বারের বলিখেলা।