চট্টগ্রাম রেলওয়ে বালক স্কুলে মহিলা শিক্ষকা ৮ গালর্স স্কুলে ১জন! হাজার...

চট্টগ্রাম রেলওয়ে বালক স্কুলে মহিলা শিক্ষকা ৮ গালর্স স্কুলে ১জন! হাজার ছাএ নিরাপওাহীনতায়।

445
SHARE

নিজস্ব প্রতিনিধি : মাজারুল ইসলাম: রেলমন্ত্রনালয়ের অধীনেথাকা দেশে সর্বমোট ১০টি সরকারী স্কুল রয়েছে।যেখানে পূর্বান্চলে ৫,পশ্চিমাঞ্চলে ৫টি স্কুল রয়েছে।পূর্বান্চলে ৫টি স্কুলের মধ্যে (ক)সল্টখোলা স্কুল ,চট্টগ্রাম।(খ)শাহজাহানপুর,ঢাকা।(গ)ময়মনসিংহ ৩টি স্কুল নারী/পুরুষ সম্মিলিত।বাকী ২টি স্কুল(ঘ)পাহাড়তলী ,চটগ্রাম স্কুলটি শুধু বালক (ঙ) আখাউড়া গালর্স স্কুল, শুধু নারী। পশ্চিমাঞ্চলে ১/সৈয়দপুর ২/লালমনিরহাট ৩/ইশ্বরদি।৪/পাকশি ৫/পাকশি গালর্স।

পাহাড়তলী রেলওয়ে বালক স্কুলটিতে মহিলা শিক্ষকের প্রয়োজন নেই।তবু সেখানে বর্তমানে ৮জন মহিলা শিক্ষক রয়েছে।অন্যদিকে আখাউড়া গালর্স স্কুলটি মহিলা শিক্ষক খুবই জরুরী।অতছ সেখানে মহিলা শিক্ষক রয়েছে ১জন।
২০০৫ সালে রাজনৈতিক ভাবে শিক্ষকপদে চাকুরী পাওয়া অনভিজ্ঞ শিক্ষক দিয়ে এবং ৮জনের বিশাল নারীশিক্ষক,
দিয়ে সুনামধন্য স্কুলটির শিক্ষার পরিবেশ নষ্টের মূল কারন হিসাবে দেখছেন অএ স্কুলের প্রাক্তন ছাএরা।তাদের অভিযোগ,২০০৫ সালে বিএনপির রাজনীতির সূএে শিক্ষক পদে চাকুরীরত এক শিক্ষক,রোকনুজ্জামান।যিনি ৯মশ্রেণীর বিজ্ঞানের টিচার।তিনি পাটীগনিত অংক পারেন না। তাকে জৈষ্ঠ শিক্ষক যারা আছেন,তারা কোনকথা বলতেই
পারেননা। এই শিক্ষককে ২০১৪ সালে প্রধান শিক্ষক জনাব,সামশুল হুদার বিরুদ্ধে ছাএদের ভুল তথ্য দিয়ে উস্কেদিয়ে স্কুলের শৃঙ্খলা নষ্টের চেষ্টা,এবং প্রধান শিক্ষক কে অপমান করে বের করেদেন।স্কুলের প্রাক্তন ছাএরা সংবাদ পেয়ে ছুটে আসেন।ছাএরা তাকে খুলশী থানায় সোপর্দ করেন।পরে প্রধানশিক্ষক স্কুলের সম্মান বাঁচাতে উওেজিত ছাএদের বুঝিয়ে মুসলেকা দিয়ে ছাড়িয়ে নেয়। ছাএদের ভুল বুঝিয়ে বিশৃংঙলা সৃষ্টি প্রমানীত হলে,রেল কতৃপক্ষ তাকে ঢাকা বদলী করে। অন্যস্কুলে একই কাজ পূর্বে করেছে এমন সূএে,কোন স্কুল তাকে গ্রহন করেনি।স্কুলের প্রধানশিক্ষক মৃত্যুবরনের ফলে,নতুন প্রধান শিক্ষককে ম্যানেজ করে পুনরায় স্কুলে ফেরত আসে।কথিত আছে প্রধান শিক্ষক সামসুল হুদা রোকনুজ্জামান কতৃক অপমানিত হওয়ার পর,ষ্ট্রোক করে মারা যান।সেই কুখ্যাতি পাওয়া শিক্ষক এখন সরকারীদলের কর্মীবনে গেছেন।একটি সূএ জানায়:- এখন জিএম,আ:হাইকে জামাত আখ্যা দিতে ভুলেন না। তিনি আবারো উশৃংঙল আচরন আরম্ভ করে স্কুলের পরিবেশ নষ্ট করছে বলে অভিযোগ সাধারন ছাএদের।শোনা যায়,শ্রমিক নেতাদের মাধ্যমে তিনি জৈষ্ঠতার তালিকায় ৪৯নং থাকার পরে ও লবিং করছেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হওয়ার।

রেলওয়ে স্কুলের প্রাক্তন ছাএ মনির হোসেন বলেন:-
রেলওয়ের ঐতিহ্যবাহী এই স্কুলটিতে ভর্তি হওয়াটা যেখানে ভাগ্যবান বলে ভাবতে হতো।রেলওয়ে স্কুলের ছাএ পরিচয়
দিতে যেখানে গর্ভ হতো,আজ এই স্কুলের নাম শুনলে অনেকে নাক ছিটকায়।রেলওয়ে স্কুল পরিচালনা কমিটির তদারকি,স্বজনপ্রীতি বাদদিয়ে।,রাজনীতির সাইনবোর্ডে নিয়োগকৃত অযোগ্যদের বদলী,পুরাতন শিক্ষকদের মূল্যায়ন
করে,আবারো হারানো সম্মান ফিরিয়ে আনার জোড় দাবী জানান।